আল্লাহ মানুষকে সম্পদ দান করেছেন। এটি আল্লাহর অনুগ্রহ। অবশ্যই এই সম্পদে অন্য বঞ্চিত মানুষের দান সদকা যাকাত ইত্যাদি রূপে হক রয়েছে। বান্দা যদি সম্পদশালী হয়ে অহংকার করে এবং অন্যকে বঞ্চিত করে তবে অবশ্যই আল্লাহ সম্পদ ছিনিয়ে নিবেন। বরং সেই সম্পদকে ধ্বংস করে দিয়ে বান্দাকে পরক্ষনে ধনী থেকে গরীব বানিয়ে দিতে পারেন। একজন মুমিন ব্যক্তি নিজ সম্পদ থেকে অন্যের হক আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে সম্পদের হিফাজত সহ বরকতের দুয়া করে। অর্থাৎ এখানে ব্যক্তির সম্পদের নিরাপত্তা বা রাতারাতি সম্পদের ধ্বংস হওয়া বা ধনী থেকে গরীব হওয়া সব আল্লাহর হাতে - এটাই বান্দার বিশ্বাস। আমরা সবাই কারুনের ঘটনা জানি,
তাকে আল্লাহর রাস্তায় দান করে পরকালের সম্বল ও অন্যদের প্রতি অনুগ্রহ করার উপদেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সে বরাই করে বলল, এই সব সম্পদ তার জ্ঞান বলে লাভ করেছে, তাই অন্য কাওকে সে দিবে না এবং কেউ তার সম্পদ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। তারপরে আল্লাহ তার প্রাসাদ ভূগর্ভে ধসিয়ে দিলেন। এবং আল্লাহ বললেন,
"অতঃপর আমি কারুনকে ও তার প্রাসাদকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিলাম। তার পক্ষে আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন দল ছিল না,যারা তাকে সাহায্য করতে পারে এবং সে নিজেও আত্মরক্ষা করতে পারল না"। (সূরা কাসাস ৮১)
আল্লাহ তার বান্দাদের মধ্যে থেকে যার জন্য ইচ্ছে রিজিক প্রসস্থ করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছে কমিয়ে দেন। আল্লাহ যদি কারোর সম্পদ কমিয়ে দেন তবে আল্লাহর বিপরীতে সে কোন সাহায্যকারী পাবে না।
.
উটকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখে তারপর উটের নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে বিশ্বাস রাখতে হবে। তবুও যদি উট হাড়িয়ে যায় তবে কিছুই করার নেই, এটিকে ভাগ্য মনে করে ধৈর্য ধরতে হবে। এটা হল কুর’আন ও হাদিসের দেখানো বিধান। এতে বার বার আল্লাহ’র প্রতি বান্দার অসহায়ত্ব প্রকাশ পায়।
.
কিন্তু দাজ্জালি ব্যবস্থা আলাদা। দাজ্জাল নিজেকে আল্লাহর বিপরীতে সাহায্যকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আল্লাহর বিধানের ঠিক উল্টো বিধান হবে দাজ্জালের। সে বলবে তোমার জ্ঞান প্রজ্ঞা থেকে তুমি সম্পদ লাভ করেছ, এটাতে অন্যদের কোন হক নেই। তোমাকে যাকাত, দান ও সদকা কিছুই করতে হবে না এবং এই সম্পদ ধ্বংস হয়ে তুমি কখনই গরীব হবে না এর নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। ব্যবসায়ের লোকসান ব্যতীত কোণ প্রকার তোমার সম্পদের ক্ষতি হতে দিব না। তোমাকে কেউ রাতারাতি গরিব বানাতে পারবে না এবং কেউই তোমার বাগান ধ্বংস করে দিতে পারবে না। তুমি আল্লাহর সাথে কুফুরি করে আমার উপর ঈমান (বিশ্বাস) রাখতে পারো। তখন দেখবে তুমি কারোর নিকট অসহায় নও। আল্লাহর বিপরীতে আমাকে সাহায্যকারী রূপে গ্রহণ করতে পারো (নাউযুবিল্লাহ)। তুমি উটকে বাঁধবে এবং আমার উপর বিশ্বাস রাখবে তারপরও যদি উট হাড়িয়ে যায় তবে আমি তা ফিরিয়ে দিব। আল্লাহর রাস্তায় বিশাল! অর্থ দানের স্থলে তুমি আমার ব্যবস্থায় যদি কিছু অর্থ দাও তবে এ সিস্টেমই তোমার সম্পদের নিরাপত্তা দিবে, এমনকি যদি সম্পদ ধ্বংস হয়েও যায় তবে উৎকৃষ্ট নাহোক কিন্তু সমপরিমাণ অর্থ তোমাকে দেওয়া হবে। তুমি নিশ্চিন্তে সূরা কাহফ এ উল্লেখিত ব্যক্তির মত করে দাবী করতে পার।
.
উটকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখে তারপর উটের নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে বিশ্বাস রাখতে হবে। তবুও যদি উট হাড়িয়ে যায় তবে কিছুই করার নেই, এটিকে ভাগ্য মনে করে ধৈর্য ধরতে হবে। এটা হল কুর’আন ও হাদিসের দেখানো বিধান। এতে বার বার আল্লাহ’র প্রতি বান্দার অসহায়ত্ব প্রকাশ পায়।
.
কিন্তু দাজ্জালি ব্যবস্থা আলাদা। দাজ্জাল নিজেকে আল্লাহর বিপরীতে সাহায্যকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আল্লাহর বিধানের ঠিক উল্টো বিধান হবে দাজ্জালের। সে বলবে তোমার জ্ঞান প্রজ্ঞা থেকে তুমি সম্পদ লাভ করেছ, এটাতে অন্যদের কোন হক নেই। তোমাকে যাকাত, দান ও সদকা কিছুই করতে হবে না এবং এই সম্পদ ধ্বংস হয়ে তুমি কখনই গরীব হবে না এর নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। ব্যবসায়ের লোকসান ব্যতীত কোণ প্রকার তোমার সম্পদের ক্ষতি হতে দিব না। তোমাকে কেউ রাতারাতি গরিব বানাতে পারবে না এবং কেউই তোমার বাগান ধ্বংস করে দিতে পারবে না। তুমি আল্লাহর সাথে কুফুরি করে আমার উপর ঈমান (বিশ্বাস) রাখতে পারো। তখন দেখবে তুমি কারোর নিকট অসহায় নও। আল্লাহর বিপরীতে আমাকে সাহায্যকারী রূপে গ্রহণ করতে পারো (নাউযুবিল্লাহ)। তুমি উটকে বাঁধবে এবং আমার উপর বিশ্বাস রাখবে তারপরও যদি উট হাড়িয়ে যায় তবে আমি তা ফিরিয়ে দিব। আল্লাহর রাস্তায় বিশাল! অর্থ দানের স্থলে তুমি আমার ব্যবস্থায় যদি কিছু অর্থ দাও তবে এ সিস্টেমই তোমার সম্পদের নিরাপত্তা দিবে, এমনকি যদি সম্পদ ধ্বংস হয়েও যায় তবে উৎকৃষ্ট নাহোক কিন্তু সমপরিমাণ অর্থ তোমাকে দেওয়া হবে। তুমি নিশ্চিন্তে সূরা কাহফ এ উল্লেখিত ব্যক্তির মত করে দাবী করতে পার।
সূরা কাহফ পাঠের অনেক ফযিলত রয়েছে, অন্যতম একটি ফযিলত হল এটা পাঠে দাজ্জাল থেকে বাঁচা যাবে। এই সূরাতে মোট ৪ টি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।দ্বিতীয় ঘটনাটি ছিল এক অহংকারী ধনি ব্যক্তির সম্পর্কে। দাজ্জালের নিরাপত্তা ও এই ঘটনার সাথে একটি যোগসূত্র রয়েছে। কুর'আন আমাদেরকে মেসেজ দিচ্ছে-
“সে বলল, আমি মনে করি না এ বাগান কখনও ধ্বংস হবে। এবং আমি মনে করি না যে,কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। যদি কখনও আমার পালনকর্তার কাছে আমাকে পৌঁছে দেয়া হয়,তবে সেখানে এর চাইতে উৎকৃষ্ট পাব।” (সূরা কাহফ- ৩৫)
.
দাজ্জালি ব্যবস্থা শুধু বাড়ি-ঘর না আপনার সন্তান মারা গেলেও আপনাকে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে দিবে না। এখানে সবকিছুর নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে, জীবন বীমা, অগ্নিবীমা, জাহাজ ডুবির বিমা, যুদ্ধ বীমা, ভূমিকম্প/সুনামি/বন্যা সহ ইত্যাদি প্রকারের বীমা ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ শর্ত সাপেক্ষে আপনার সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পদের নিরাপত্তা পাবেন।
.
ব্যাংকের মত বীমাকেও হালালাইজড (হালালিকরন) করা হচ্ছে। কিছু বীমা তো বাধ্যতামূলক, গাড়ি/বাইক সহ সকল প্রকার পরিবহনের, গার্মেন্টসের এবং ওয়ার্কারের বীমা ইত্যাদি।
.
একজন ধনী নিশ্চিন্তে জাহাজে পণ্য আনতে পারে, নিশ্চিন্তে মারাও যেতে পারে, তার ফ্যাক্টারিতে আগুন লাগলেও নিশ্চিন্তে থাকবে, তার প্রয়োজন নেই ধৈর্য ধরার, তার কোণ ক্ষতিই হবে না কারণ সে দাজ্জালের দলে শামিল হচ্ছে। ইন্সুরেন্স হল দাজ্জাল প্রদত্ত আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদেরকে প্রতি পদে পদে আল্লাহর উপর ভরসা বাদ দিয়ে দাজ্জালের ছাতার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করতে ডাকা হচ্ছে। তাই সাবধান এমনকে আছে যে আল্লাহর বিপরীতে নিরাপত্তা দিবে?
.
দাজ্জালি ব্যবস্থা শুধু বাড়ি-ঘর না আপনার সন্তান মারা গেলেও আপনাকে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে দিবে না। এখানে সবকিছুর নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে, জীবন বীমা, অগ্নিবীমা, জাহাজ ডুবির বিমা, যুদ্ধ বীমা, ভূমিকম্প/সুনামি/বন্যা সহ ইত্যাদি প্রকারের বীমা ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ শর্ত সাপেক্ষে আপনার সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পদের নিরাপত্তা পাবেন।
.
ব্যাংকের মত বীমাকেও হালালাইজড (হালালিকরন) করা হচ্ছে। কিছু বীমা তো বাধ্যতামূলক, গাড়ি/বাইক সহ সকল প্রকার পরিবহনের, গার্মেন্টসের এবং ওয়ার্কারের বীমা ইত্যাদি।
.
একজন ধনী নিশ্চিন্তে জাহাজে পণ্য আনতে পারে, নিশ্চিন্তে মারাও যেতে পারে, তার ফ্যাক্টারিতে আগুন লাগলেও নিশ্চিন্তে থাকবে, তার প্রয়োজন নেই ধৈর্য ধরার, তার কোণ ক্ষতিই হবে না কারণ সে দাজ্জালের দলে শামিল হচ্ছে। ইন্সুরেন্স হল দাজ্জাল প্রদত্ত আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদেরকে প্রতি পদে পদে আল্লাহর উপর ভরসা বাদ দিয়ে দাজ্জালের ছাতার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করতে ডাকা হচ্ছে। তাই সাবধান এমনকে আছে যে আল্লাহর বিপরীতে নিরাপত্তা দিবে?
লিখেছেনঃ Kaisar Ahmed
ট্যাগ
|
সূরা কাহফ, সূরা কাহাফ, ব্যাংক, ব্যাংকিং, বীমা, ইন্সুরেন্স, দাজ্জাল, আখেরী জামানা
|
